MOBI è DOC জলে ডাঙায়FREE ↠ SYED MUJTABA ALI


EBOOK জলে ডাঙায়

MOBI è DOC জলে ডাঙায় FREE ↠ SYED MUJTABA ALI ä Articles | কল্পবিশ্ব পত্রিকা নদীর মাছ প্রাণভয় বিসর্জন দিয়ে কি ডাঙায় উঠে পড়েছে? এমন সব অদ্ভুত ঘটনা Rfect ২২ ঘরে পোড়া গরু সি বাঘ মামা আর শিয়াল ভাগ্নে তারপর একদিন শিয়াল নদীর ধারে গিয়ে দেখল যে বিশ হাত লম্বা একটা কুমির ডাঙায় উঠে রোদ পোয়াচ্ছে। তখন সে তাড়াতাড়ি ছুটে গিয়ে বাঘকে বললে `মামা মামা একটা নৌকা Ichchhamoti BanglaBengali Web Magazine for সেই আদ্যিকালে পৃথিবীর বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড ছিল প্রচুর অক্সিজেন ছিল কম। তাই প্রাণের বিকাশ মূলতঃ হচ্ছিল ডাঙায় নয় জলে। তোমরা কবিতা ও গান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জলে গাছের গভীর ছায়া টলটল করছে সবুজ রেশমের আভায়। তীরে তীরে কলমিশাক আর হেলঞ্চ। ঢালু পাড়িতে সুপারি গাছক’টা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। এ ধারের ডাঙায় করবী সাদা রঙ? ভ্রমন কাহিনী লেখায় বাংলা সাহিত্যে সৈয়দ মুজতবা আলী কে টেক্কা দেয়ার মতো কেউ এখনো জন্মেছে কিনা সন্দেহ আছে উক্তিটি করেছিল কিছুদিন আগে এক পরিচিতজন আমি ভ্রমন কাহিনী পছন্দ করি শুনে। মুজতবা সাহেবের ছোট গল্প পড়ার অভিজ্ঞতা থাকলেও পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস পড়া হয়ে ওঠেনি কোন এক অজ্ঞাত কারনে। আর যেহেতু তার ভ্রমন কাহিনী ট্রেড মার্ক টাইপের তাই জলে ডাঙায় দিয়ে শুরু করলাম আমার মুজতবা আলী জার্নি। জাহাজ আরব সাগর ধরে ছুটে চলেছে লেখক তার দুই হাটুর বয়সী বিলেতি সঙ্গী পল ও পার্সি সাথে আমি নিজেও ভাসছি। ভ্রমন কাহিনী পড়ে যদি নিজেকে লেখকের ভ্রমন সঙ্গী নাই বানানো গেলো তবে সে কেমন ভ্রমন কাহিনী। সৈয়দ সাহেব সার্থক সেদিক থেকে নির্দ্বিধায়। সংস্কৃত ইংরেজি আরবি ফার্সি হিন্দি গুজরাটি ফরাসি জার্মান ও ইতালীয় ভাষা জানা সৈয়দ সাহেবের প্রতিভা পল ও পার্সি খুব ভাল ভাবেই টের পেয়েছিল সমুদ্রের ঢেউ এ ভাসতে ভাসতে তাইতো অসম বয়সী হলেও তাদের রসায়ন দারুন হয়ে উঠেছিল। পল ও পার্সির জন্য যেন এই ভ্রমন হয়ে উঠেছিল শিক্ষা সফর। জাহাজেই তাদের পরিচয় আবুল আসফিয়া নূর উদ্দীন মুহম্মদ আব্দুল করিম সিদ্দীকী নামক এক রহস্য পুরুষের সাথে। এই ভদ্রলোক ছিল বলে ভ্রমনটা আরো দারুন উপভোগ্য ও উত্তেজনা পূর্ণ হয়েছে সেটা পড়লেই বুঝতে পারবেন। উপন্যাসের কাহিনী জলে ও ডাঙায় উভয় যায়গাতেই ব্যাপৃত তাই নামকরন পুরোপুরি সার্থক। জিবুতি বন্দরের অভিজ্ঞতা ছিল ভয়ংকর। ক্যাফেতে মাছির অত্যাচারের বর্ণনা পড়ে গা গুলিয়ে উঠছিল। আর মিশর ভ্রমন ছিল টানটান উত্তেজনায় ভরা। কিসের? পড়লেই বুঝবেন। বললে তো বলাই হয়ে গেল। লেখকের বর্ণনা পড়ে আমার খুব মরুভূমিতে সূর্যাস্ত দেখার লোভ হচ্ছে। তবে শেষে এসে পল ও পার্সির জন্য খুব মন খারাপ হচ্ছে। সৈয়দ সাহেবের আরেকটা ট্রেডমার্ক বিষয় হল হিউমার। দারুন দারুন সব হিউমারে পূর্ণ উপন্যাসটি। এ বইটি মূলত কিশোরদের জন্য লেখা হলেও সব বয়সীরা সমান ভাবে উপভোগ করবে বলেই আমার মনে হয়।

জলে ডাঙায়Rfect ২২ ঘরে পোড়া গরু সি বাঘ মামা আর শিয়াল ভাগ্নে তারপর একদিন শিয়াল নদীর ধারে গিয়ে দেখল যে বিশ হাত লম্বা একটা কুমির ডাঙায় উঠে রোদ পোয়াচ্ছে। তখন সে তাড়াতাড়ি ছুটে গিয়ে বাঘকে বললে `মামা মামা একটা নৌকা Ichchhamoti BanglaBengali Web Magazine for সেই আদ্যিকালে পৃথিবীর বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড ছিল প্রচুর অক্সিজেন ছিল কম। তাই প্রাণের বিকাশ মূলতঃ হচ্ছিল ডাঙায় নয় জলে। তোমরা কবিতা ও গান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জলে গাছের গভীর ছায়া টলটল করছে সবুজ রেশমের আভায়। তীরে তীরে কলমিশাক আর হেলঞ্চ। ঢালু পাড়িতে সুপারি গাছক’টা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। এ ধারের ডাঙায় করবী সাদা রঙ? ভ্রমন কাহিনী লেখায় বাংলা সাহিত্যে সৈয়দ মুজতবা আলী কে টেক্কা দেয়ার মতো কেউ এখনো জন্মেছে কিনা সন্দেহ আছে উক্তিটি করেছিল কিছুদিন আগে এক পরিচিতজন আমি ভ্রমন কাহিনী পছন্দ করি শুনে। মুজতবা সাহেবের ছোট গল্প পড়ার অভিজ্ঞতা থাকলেও পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস পড়া হয়ে ওঠেনি কোন এক অজ্ঞাত কারনে। আর যেহেতু তার ভ্রমন কাহিনী ট্রেড মার্ক টাইপের তাই জলে ডাঙায় দিয়ে শুরু করলাম আমার মুজতবা আলী জার্নি। জাহাজ আরব সাগর ধরে ছুটে চলেছে লেখক তার দুই হাটুর বয়সী বিলেতি সঙ্গী পল ও পার্সি সাথে আমি নিজেও ভাসছি। ভ্রমন কাহিনী পড়ে যদি নিজেকে লেখকের ভ্রমন সঙ্গী নাই বানানো গেলো তবে সে কেমন ভ্রমন কাহিনী। সৈয়দ সাহেব সার্থক সেদিক থেকে নির্দ্বিধায়। সংস্কৃত ইংরেজি আরবি ফার্সি হিন্দি গুজরাটি ফরাসি জার্মান ও ইতালীয় ভাষা জানা সৈয়দ সাহেবের প্রতিভা পল ও পার্সি খুব ভাল ভাবেই টের পেয়েছিল সমুদ্রের ঢেউ এ ভাসতে ভাসতে তাইতো অসম বয়সী হলেও তাদের রসায়ন দারুন হয়ে উঠেছিল। পল ও পার্সির জন্য যেন এই ভ্রমন হয়ে উঠেছিল শিক্ষা সফর। জাহাজেই তাদের পরিচয় আবুল আসফিয়া নূর উদ্দীন মুহম্মদ আব্দুল করিম সিদ্দীকী নামক এক রহস্য পুরুষের সাথে। এই ভদ্রলোক ছিল বলে ভ্রমনটা আরো দারুন উপভোগ্য ও উত্তেজনা পূর্ণ হয়েছে সেটা পড়লেই বুঝতে পারবেন। উপন্যাসের কাহিনী জলে ও ডাঙায় উভয় যায়গাতেই ব্যাপৃত তাই নামকরন পুরোপুরি সার্থক। জিবুতি বন্দরের অভিজ্ঞতা ছিল ভয়ংকর। ক্যাফেতে মাছির অত্যাচারের বর্ণনা পড়ে গা গুলিয়ে উঠছিল। আর মিশর ভ্রমন ছিল টানটান উত্তেজনায় ভরা। কিসের? পড়লেই বুঝবেন। বললে তো বলাই হয়ে গেল। লেখকের বর্ণনা পড়ে আমার খুব মরুভূমিতে সূর্যাস্ত দেখার লোভ হচ্ছে। তবে শেষে এসে পল ও পার্সির জন্য খুব মন খারাপ হচ্ছে। সৈয়দ সাহেবের আরেকটা ট্রেডমার্ক বিষয় হল হিউমার। দারুন দারুন সব হিউমারে পূর্ণ উপন্যাসটি। এ বইটি মূলত কিশোরদের জন্য লেখা হলেও সব বয়সীরা সমান ভাবে উপভোগ করবে বলেই আমার মনে হয়।

EBOOK é জলে ডাঙায় ã Syed Mujtaba Ali

জলে ডাঙায় ☆ Articles | কল্পবিশ্ব পত্রিকা নদীর মাছ প্রাণভয় বিসর্জন দিয়ে কি ডাঙায় উঠে পড়েছে? এমন সব অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে থাকলে বুঝতে হবে লক্ষণ ভাল নয় হতে পারে ভয়াবহ ভূমিকম্প ‘এডুকেশন ফোরাম’ থেকে Welcome to Burdwan Municipal High School Official Burdwan Municipal High School had its auspicious inception in the year Since then began its splendid journey along the avenue of education This age old school of over years has been successfully able to produce many legendary personalities of singular talents who have left indelible mark in the pages of long history of the school সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ সুন্নী কিতাব সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ একই বা সমান অর্থের শব্দকে প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ বলে। অথবা এমন অনেক শব্দ আছে যাদের অর্থ একই কিন্তু উচ্চারণ ভ একটা কবিতা আমি তুমি February স্ সমুদ্র ভালবাসি না ভয় পাই সিদ্ধান্ত নিতে কষ্ট হয়। তবে জাহাজে চেপে ভ্রমণের একপ্রকার অদম্য ইচ্ছা আছে। প্রায়শই মনে হয় উঠে পড়ি দূর দূরান্তের কোনও জাহাজে। মাসের পর মাস বিচিত্র এবং বিভিন্ন সব বিশ্ব নাগরিকদের সঙ্গী হয়ে ভেসে চলি অসীমতম অ ভূখণ্ড পৃথিবীসীমায়। কিন্তু আমার মতো ঘরকুনো ব্যক্তির পক্ষে কি তা আদেও সম্ভব? বোধহয় না। তাই ভ্রমণ গ্রন্থে খুঁজে নিই অভিজ্ঞতার আবেশ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় বলতে হয় বিশাল বিশ্বের আয়োজন;মন মোর জুড়ে থাকে অতিক্ষুদ্র তারি এক কোণ।সেই ক্ষোভে পড়ি গ্রন্থ ভ্রমণবৃত্তান্ত আছে যাহেঅক্ষয় উৎসাহে।লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর 'জলে ডাঙায়' উপন্যাসখানি এই প্রকার অক্ষয় উৎসাহ নিয়েই পড়তে বসেছিলাম। ইতিপূর্বে লেখককে ভালবেসেছি তার সামান্য কিছু ছোটগল্প পাঠের অভিজ্ঞতা থেকে। সম্পূর্ণ কোনও উপন্যাস পড়া হয়নি। যদিও এক অর্থে এই উপন্যাসকেও সম্পূর্ণ বলা চলে না তবে যথেষ্ট অবশ্যই। অনবদ্য এই ভ্রমণ কাহিনীর শুরু সাগরে শেষ নগরে। আরব সাগরের বুকে ভেসে বেড়ানো সৈয়দ মুজতবা আলী কে দেখা যায় স্বমহিমায় সঙ্গে আরও দুই তিনজন নিয়মিত সঙ্গী। যাদের মধ্যে অন্যতম দু'জন পার্সি ও পল। লেখকের এই দুই বিদেশী সঙ্গী যতক্ষণ আছে বইয়ের ব্যপ্তি ঠিক ততটাই। তারপর যবনিকা পতন। বইয়ের আরও এক বিশেষ চরিত্র আবুল আসফিয়া নূর উদ্দীন মুহম্মদ আব্দুল করিম সিদ্দীকী। ভদ্রলোকের নাম যতটা বড় ভূমিকাও তেমন না পড়লে ব্যাপারটা কত গুরুতর তা বোঝানো যাবে না। অতএব পড়তে হবে। বইটি লেখক বলেছেন ছোটদের উপযুক্ত কিন্তু বড়দের জন্য এ এক ভিন্ন আঙ্গিকের বিনোদন। যার যার বয়সে সে সে আনন্দ খুঁজে পাবে এই উপন্যাস। সমুদ্র ভ্রমণ কেবল আনন্দেরই নয় বিষাদময়ও হতে পারে। এই যাত্রায় রয়েছে বিবিধ অসুবিধে। সেসব লেখক চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন। রয়েছে পল এবং পার্সির সঙ্গে নানান কথোপকথনের দৃশ্য জ্ঞান দান এবং গ্রহণের মাধ্যমে নানান ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা ও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা প্রদান। রয়েছে দেশ বিদেশ ভাষা সংস্কৃতি প্রকৃতি এবং বিবিধ বিষয়ে আলোকপাত। মুজতবা আলী যে কতো প্রাজ্ঞ এবং তার জানা শোনার পরিধি যে কতো ব্যপ্ত তা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায় প্রতিটি পাতায়। এবং একই সঙ্গে তিনি বিনয়ী। সাহিত্যগগনের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আলোয় তিনি আলোকিত; তাই প্রায়শই গুরুর উক্তি বাক্য পংতি চলে আসে তার স্মরণে। সত্যিকার জ্ঞানীরা যে নিজের জীবনে অন্যের ভূমিকা কখনও অস্বীকার করেন না তা আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে।এরপর ঘটনাচক্রে তারা নেমে এলেন ডাঙায়। উদ্দেশ্য মিশর ভ্রমণ পিরামিড দর্শন। তারপর? সে আরেক ইতিহাস। ক্রমাগত দুর্ভাগ্য এবং তারই মধ্যে অনবদ্য হাস্যরস। প্রকৃতি এবং পরিস্থিতির অম্ল মধুর সমালোচনা আত্মকথন এবং আরও ঘটনাক্রম। কখন যে শুরু থেকে বইয়ের শেষে চলে এসেছি টেরই পাইনি। আরও একটি বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিভিন্ন ভাষার কবিতার চমৎকার সব রূপান্তর। তা কেবল লেখকের একারই নয় বরং বেশ কিছু রূপান্তর লেখকের বন্ধু কিংবা অন্য গুণী সাহিত্যিকদের করা। এদের অনুবাদ ক্ষমতা কোন পর্যায়ের কিংবদন্তী না পড়লে বিশ্বাস করা অসম্ভব বিদেশের মাটিতে দেশি লোককে দেখতে পাবার আনন্দ অপরিচিত নদীর অপরূপ রূপ অজানা খাদ্যের সুস্বাদবিস্বাদ অচেনা মানুষের আন্তরিকতা কিংবা ছলনা প্রতিটিই যেন নিমন্ত্রণ করে টেনে নিয়ে গেছে এবং বসিয়ে করেছে সাদর আপ্যায়ন। সবাই গল্প কথক হতে পারে না সবার গল্প বলার ক্ষমতাও সমান হয় না তাতে বাহুল্য থাকে বর্জন থাকে রসের সমূহ অভাব দেখা যায়। কিন্তু সৈয়দ মুজতবা আলী পরিপূর্ণ এক গল্পকার। তার অভিজ্ঞতা এবং বিবরণ মনমুগ্ধকর। কোনও অচেনা বৈঠকখানায় বসে সম্পূর্ণ অজানা মানুষের মাঝেও গল্পের আসর জমিয়ে ফেলার স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষমতা রয়েছে তার। ইচ্ছা আছে লেখকের সব লেখা পড়ার সব গল্প শোনার জানার। এই ইচ্ছা কবে পূর্ণ হবে জানি না তবে চেষ্টা থাকবে অবশ্যই। EBOOK é জলে ডাঙায় ã Syed Mujtaba Ali

Syed Mujtaba Ali ã জলে ডাঙায় BOOK

Syed Mujtaba Ali ã জলে ডাঙায় BOOK থলে জলে বনতলেলাগলো লাগলো দোল এ সময়অসময় চলন্তিকা তুমি হাসতে পারছো তুমি তোমার আপনাদের লজ্জা করছে না। রঙ সভ্যতার রঙ মানুষের রঙশুধুই বসন্তের আগ wwwbangla sydneycom কাউসার খানের প্রতিবেদন কে হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেষ সময়ের গল্প ॥ ফারিয়া মুরগির বাচ্চা গলা টিপে টিপে ॥ গল্প ॥ ফারিয়া মুরগির বাচ্চা গলা টিপে টিপে মারে মেহেদী উল্লাহ রিজিয়া খালা হারিয়ে যেতে থাকা বিড়ালটাকে খাঁচায় ভরে সাতটা বাচ্চাস Important Translation ১৯ কুমিরের সঙ্গে বিবাদ করে জলে বাস It is hard to sit at Rome and strike with the Pope ২০ ঘষতে ঘষতে পাথরও ক্ষয় হয়। Constant dripping wears out the stone ২১ গাইতে গাইতে গায়েন Practice makes a man pe স্মার্ট আইডি কার্ড নেয়ার লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ে শেষ করলাম। সৈয়দ সাহেবের লেখা যে কতটা চুম্বকশক্তি ধরে আমার এই স্বীকারোক্তিই বোধহয় তার প্রমাণ। মানুষের ঠেলাঠেলি ধুলোবালি আর ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থাতেও মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়ে গেছি।