Read জাপানযাত্রী eBook ☆ Paperback

mobi Å জাপানযাত্রী ↠ Rabindranath Tagore

ধারা রবীন্দ্র নাটক জাপানযাত্রী – বাংলা লাইব্রেরি । Bangla Book জাপানযাত্রী জাপান যাত্রী – ০১ ১ বোম্বাই থেকে যতবার যাত্রা করেছি জাহাজ চলতে দেরি করে নি। কলকাতার জাহাজে যাত্রার আগের রাত্রে গিয়ে বসে থাকতে হয়। Read mor জাপানযাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Buy রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর জাপানযাত্রী অরিজিনাল বইটি সংগ্রহ করুন জাপানযাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর জাপানযাত্রী বইটি সর্বনিম্ন দামে বইবাজার পুনশ্চ জাপানযাত্রী নির্মলেন্দু গুণ | নির্মলেন্দু গুণ এর পুনশ্চ জাপানযাত্রী বইটি সর্বনিম্ন দামে Unit VIII রবীন্দ্র সাহিত্য জাপানযাত্রী Accoun শুরুতেই বলে রাখি ভ্রমণকাহিনী হলেও বইটিতে ভ্রমণের চেয়ে কবিগুরুর নিজস্ব জীবনবোধগুলোই বেশি প্রকাশ পেয়েছে। রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন যে এই লেখনীতে পাঠক যদি অল্প পরিমানেও বস্ততন্ত্রতা দাবি করে তবে নিরাশ হবে। তিনি মুলত এখানে জাপান ও জাপানের মানুষের সম্পর্কে তার মতামত প্রকাশ করেছেন যার মধ্যে জাপান যেমন আছে লেখক নিজেও তেমন আছেন। বইয়ের শুরুর দিকে একটি জায়গায় তিনি বলেছেন উপনিষদে লিখছে এক ডালে দুই পাখি আছেতার মধ্যে এক পাখি খায় আর এক পাখি দেখে। যে পাখি দেখছে তারই আনন্দ বড়ো আনন্দ। কেননা তার সে বিশুদ্ধ আনন্দ মুক্ত আনন্দ। মানুষের নিজের মধ্যেই এই দুই পাখি আছে। এক পাখির প্রয়োজন আছে আর এক পাখির প্রয়োজন নেই। এক পাখি ভোগ করে আর এক পাখি দেখে। যে পাখি ভোগ করে সে নির্মাণ করে যে পাখি দেখে সে সৃষ্টি করে। । লেখকের মতে পৃথিবীতে সবচেয়ে বড়ো রহস্য দেখবার বস্তুটি নয় বরং যে দেখে সেই মানুষটি আর এই দ্রষ্টার উপকরন হল আমি পদার্থ যার প্রকাশই সাহিত্য আর্ট।এমনই দ্রষ্টার চোখে তিনি জাপানের মানুষকে দেখেছেন এবং তাদের স্বভাবসুলভ বৈশিষ্ট্যগুলোকে বিশ্লেষণ করেছেন। জাপানিদের একটি গভীর পরিচয় রয়েছে যেটাকে এক কথায় বলা যায় 'হৃদয়ের মিতব্যয়িতা'। তাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে চোখে পড়ে সংযম। এমনকি জাপানি কবিতাগুলোতেও রয়েছে ভাষা ও ভাবের সংযম যার প্রমাণ আমরা দেখতে পাই তাদের সাহিত্যে তিন লাইনের কাব্যগুলোতে যা পৃথিবীর আর কোথাও নেই। এমনই একটি কবিতা লেখক তুলে ধরেছেন পুরোনো পুকুরব্যাঙের লাফজলের শব্দ।লেখকের মতে জাপানি পাঠকদের মনের চোখ অত্যন্ত প্রবল সেই সাথে তাদের সৌন্দর্যবোধও।  কোনো একটি হৃদয়াবৃত্তিকে খর্ব করে অন্যটিকে বাড়িয়ে তোলা যেতে পারে৷ ঠিক তেমনি এই কবিতাগুলোয় হৃদয়াবেগের প্রকাশকে খর্ব করে সৌন্দর্যবোধের প্রকাশকে বাড়িয়ে তোলা হয়েছে। এভাবেই জাপানীরা নিজেদের প্রকাশকে সংক্ষিপ্ত করে হৃদয়ের সমস্তটাই প্রকাশ করে সৌন্দর্যবোধের মাধ্যমে।  আর এই সৌন্দর্যবোধ জিনিসটাই স্বার্থনিরপেক্ষ এক প্রবল শক্তি যা মানুষকে স্বার্থ ও বস্তুর সংঘাত থেকে রক্ষা করে।  সাধারনত আমরা ব্যক্তির এই সৌন্দর্যবোধের  প্রকাশকে দেখি তার দুর্বলতা হিসেবে। আমাদের মতে সফলতা পেতে হলে সৌন্দর্যবোধ নামক দুর্বলতা থেকে বেড়িয়ে যান্ত্রিকতায় ডুব দেয়া আবশ্যক। অথচ জাপানের প্রাচীনকালের যোদ্ধারা অবসরে  ফুল সাজানোর বিদ্যা নিয়ে কথা বলতেন কারন তাদের ধারনা ছিল এতে তাদের রণকৌশল ও বীরত্বের উন্নয়ন সাধিত হয়। অর্থাৎ তারা সৌন্দর্যবোধকে কেবল শৌখিনতা হিসেবেই দেখেনা বরং এটি তাদের কাছে শান্তির প্রতীক আর শক্তির অন্যতম উৎসই হল শান্তি। লেখকের ভাষায়   যে সৌন্দর্যের আনন্দ নিরাসক্ত আনন্দ তাতে জীবনের ক্ষয় নিবারণ করে এবং যে উত্তেজনা প্রবণতায় মানুষের মনোবৃত্তি ও হৃদয়বৃত্তিকে মেঘাচ্ছন্ন করে তোলে এই সৌন্দর্যবোধ তাকে পরিশান্ত করে।

book জাপানযাত্রী

জাপানযাত্রী T Expired This Testmoz account expired than days ago Please login to re activate your account জাপানযাত্রী অ্যালান সাইকেলের চাকা জাপানযাত্রী অ্যালান সাইকেলের চাকা গড়িয়ে দু'দশক পুরোনো CiNii 図書 জাপান যাত্রী জাপান যাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (বিশ্বযাত্রী রবীন্দ্রনাথ Japan Jatri ️ জাপান যাত্রী ️ MB ️ ️ Japan Jatri ️ জাপান যাত্রী is a most popular Famous book of Rabindranath Tagore রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর If ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব ।। ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব।মুহম্মদ আব্দুল হাই হাইকুর প্রসঙ্গ কথা অহ নওরোজ প্রকাশিত ১৬১৪ মে ২৭ ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট ২০৩৪ জাপান যাত্রী 「জাপান যাত্রী」を図書館から検索。カーリルは複数の図書館からまとめて蔵書検索ができるサービスです? রবীন্দ্রনাথের জাপানপ্রীতির কথা সুবিদিত৷ শুনেছিতার সংগ্রহে একটি সামুরাই কাটানা'ও ছিল৷ বইটা বাঙলা ১৩২৩ সালের শুরুর দিকের। অর্থাৎ তাঁর শেষবয়স বলা যায় না৷ তখনও তিনি সংশয়বাদী হয়ে পারেননি৷ সুপাঠ্য হলেও ধর্মচিন্তাগুলো ভালোলাগেনি৷রবীন্দ্রনাথের অন্তর্দৃষ্টি প্রখর। একটি জাতির সামগ্রিক দর্শন তিনি সহজে বুঝতে পারতেন। তাই বইটিতে চীনের পরাশক্তি হওয়া ও জাপানের আগ্রাসী মনোভাব দুটোর ব্যাপারেরই ভবিষ্যৎবাণী পাওয়া যায়।

Rabindranath Tagore ↠ জাপানযাত্রী text

Read জাপানযাত্রী eBook ☆ Paperback ´ জাপানযাত্রী | রবীন্দ্রানাথ ঠাকুর । ভ্রমণ watch this clip জাপানযাত্রী | রবীন্দ্রানাথ ঠাকুর । ভ্রমণ সাহিত্য আজাপানযাত্রী | রবীন্দ্রানাথ ঠাকুর । ভ্রমণ watch this clip জাপানযাত্রী | রবীন্দ্রানাথ ঠাকুর । ভ্রমণ সাহিত্য আলোচনা জাপানযাত্রী by Rabindranath Tagore জাপানযাত্রী book Read reviews from the world's largest community for readers পুরাতন বইঘর জাপানযাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Facebook জাপানযাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর Voir plus de contenu de পুরাতন বইঘর sur Facebook জাপানযাত্রী হার্ডকভার | Othobacom Please Select Shipping Location জাপানযাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর জাপানযাত্রী বইটি সর্বনিম্ন দামে বইবাজার জাপানযাত্রী ভ্রমনসাহিত্য জাপানযাত্রী ভ্রমনসাহিত্য; রবীন্দ্র নির্বাচিত প্রবন্ধ সমূহ unite রবীন্দ্র সাহিত্য অচলায়তন ও মুক্ত “অন্যের পরে মানুষের বড়ো ঈর্ষা। যাকে আর কেউ পায় নি মানুষ তাকে পেতে চায়। তাতে যে পাওয়ার পরিমাণ বাড়ে তা নয় কিন্তু পাওয়ার অভিমান বাড়ে।”জাপান যাত্রী একটি ভ্রমণ কাহিনীর চেয়ে মূলত কবির অন্তর আলোচনা। নোবেল বিজয়ী লেখক যখন জাহাজে করে জাপান যায় এশিয়ায় সবাই তাকে এক নামে চিনে। লেখক বাঙ্গালি জাতির ভ্রমণ আচার বিচারের তৎকালীন অবস্থার একটা বিশ্লেষণ করেছেন। লেখন মানব মন নিয়েও তার ভাবাবেগ প্রকাশ করেছে এই রচনায়। আমার ভাল লেগেছে লেখকের জীবন দর্শন “উপনিষদে লিখছে এক ডালে দুই পাখি আছেতার মধ্যে এক পাখি খায় আর এক পাখি দেখে। যে পাখি দেখছে তারই আনন্দ বড়ো আনন্দ। কেননা তার সে বিশুদ্ধ আনন্দ মুক্ত আনন্দ। মানুষের নিজের মধ্যেই এই দুই পাখি আছে। এক পাখির প্রয়োজন আছে আর এক পাখির প্রয়োজন নেই। এক পাখি ভোগ করে আর এক পাখি দেখে। যে পাখি ভোগ করে সে নির্মাণ করে যে পাখি দেখে সে সৃষ্টি করে। নির্মাণ করা মানে মাপে তৈরি করা অর্থাৎ যেটা তৈরি হচ্ছে সেইটেই চরম নয় সেইটেকে অন্য কিছুর মাপে তৈরি করা নিজের প্রয়োজনের মাপে বা অন্যের প্রয়োজনের মাপে। আর সৃষ্টি করা অন্য কোনো কিছুর মাপের অপেক্ষা করে না সে হচ্ছে নিজেকে সর্জন করা নিজেকেই প্রকাশ করা। এইজন্য ভোগী পাখি যে সমস্ত উপকরণ নিয়ে কাজ করছে তা প্রধানত বাইরের উপকরণ আর দ্রষ্টা পাখির উপকরণ হচ্ছে আমি পদার্থ। এই আমির প্রকাশই সাহিত্য আর্ট। তার মধ্যে কোনো দায়ই নেই কর্তব্যের দায়ও না।”লেখক খুবই আধুনিকমনা। নারীদের স্বাবলম্বী হওয়াকে তিনি ভাল চোখে দেখেছেন। তিনি লিখেছেন “লোকের কাছে শুনতে পাই এখানকার পুরুষেরা অলস ও আরামপ্রিয় অন্য দেশের পুরুষের কাজ প্রায় সমস্তই এখানে মেয়েরা করে থাকে। হঠাৎ মনে আসে এটা বুঝি মেয়েদের উপরে জুলুম করা হয়েছে। কিন্তু ফলে তো তার উলটোই দেখতে পাচ্ছি এই কাজকর্মের হিল্লোলে মেয়েরা আরো যেন বেশি করে বিকশিত হয়ে উঠেছে। কেবল বাইরে বেরতে পারাই যে মুক্তি তা নয় অবাধে কাজ করতে পাওয়া মানুষের পক্ষে তার চেয়ে বড়ো মুক্তি। পরাধীনতাই সবচেয়ে বড়ো বন্ধন নয় কাজের সংকীর্ণতাই হচ্ছে সবচেয়ে কঠোর খাঁচা।”লেখাটা আপনাকে কবির দৃষ্টিভঙ্গির সাথে পরিচিত করে তুলবে। জাপানীরা যে অনেক অগ্রসর হবে লেখক তা আঁচ করতে পেরেছেন। জাপানীদের পরিষ্কার পরিছন্নতা ফুল সাজানো বা চা বানানোর আচার আচারন বা নারী পুরুষের সমান ভাবে কাজ করা লেখক মুগ্ধ করেছে। কবি বাঙালিদের আর জাপানীদের মধ্য পার্থক্য খুব সুনিপুনভাবে তুলে ধরেছে।সুখপাঠ্য বটে। রবীন্দ্র প্রেমী হলে অবশ্যক পাঠ্য।