জাপান kindle é eBook

book জাপান

জাপান kindle é eBook ✓ জাপান যাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর জাপান যাত্রী বইটি সর্বনিম্ন দামে Download জাপান যাত্রী রবীন্দ্রনাথ ??তে থাকায় বাংলাদেশ পাকিস্তান ফিলিপাইন ও পেরুর নাগরিকদের জাপানে প্রবেশের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের জাপান যাত্রী মণিমেখলা মাইতি রবীন্দ্রনাথের জাপান যাত্রী মণিমেখলা মাইতি ১৩২৩ বঙ্গাব্দর ২ বৈশাখ অর্থাৎ ১৯১৬ র ১৫ এপ্রিল শনিবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক চিঠিতে কাদম্বিনী দত্তকে বিমানবন্দরে ৪২ লাখ টাকার বিদেশি মুদ্রাসহ জাপান; দক্ষিন কোরিয়া ওমান ও আরব আমিরাতের মুদ্রা পাওয়া যায়। একজন যাত্রী বৈধভাবে পাসপোর্টে এনডোসমেন্ট করে ১০ লাখ টাকা বিদেশ নিতে পারেন। মুনওয়ার রবীন্দ্রনাথের জাপানপ্রীতির কথা সুবিদিত৷ শুনেছিতার সংগ্রহে একটি সামুরাই কাটানা'ও ছিল৷ বইটা বাঙলা ১৩২৩ সালের শুরুর দিকের। অর্থাৎ তাঁর শেষবয়স বলা যায় না৷ তখনও তিনি সংশয়বাদী হয়ে পারেননি৷ সুপাঠ্য হলেও ধর্মচিন্তাগুলো ভালোলাগেনি৷রবীন্দ্রনাথের অন্তর্দৃষ্টি প্রখর। একটি জাতির সামগ্রিক দর্শন তিনি সহজে বুঝতে পারতেন। তাই বইটিতে চীনের পরাশক্তি হওয়া ও জাপানের আগ্রাসী মনোভাব দুটোর ব্যাপারেরই ভবিষ্যৎবাণী পাওয়া যায়।

doc æ যাত্রী ´ Rabindranath Tagore

জাপান যাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর জাপান যাত্রী বইটি সর্বনিম্ন দামে Download জাপান যাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর Download জাপান যাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর for PC free download জাপান যাত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জাপান যাত্রী part This video is unavailable Watch ueue ueue Watch ueue ueue রবীন্দ্রনাথের জাপান দর্শন জাপান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৬ সালে প্রথমবার জাপানে ভ্রমণ করেন এবং জাপান যাত্রী – ১৪ – বাংলা লাইব্রেরি । জাপান যাত্রী – ১৪ ১৪ যেমন যেমন দেখছি তেমনি তেমনি লিখে যাওয়া আর সম্ভব নয়। পূর্বেই লিখেছি জাপা “অন্যের পরে মানুষের বড়ো ঈর্ষা। যাকে আর কেউ পায় নি মানুষ তাকে পেতে চায়। তাতে যে পাওয়ার পরিমাণ বাড়ে তা নয় কিন্তু পাওয়ার অভিমান বাড়ে।”জাপান যাত্রী একটি ভ্রমণ কাহিনীর চেয়ে মূলত কবির অন্তর আলোচনা। নোবেল বিজয়ী লেখক যখন জাহাজে করে জাপান যায় এশিয়ায় সবাই তাকে এক নামে চিনে। লেখক বাঙ্গালি জাতির ভ্রমণ আচার বিচারের তৎকালীন অবস্থার একটা বিশ্লেষণ করেছেন। লেখন মানব মন নিয়েও তার ভাবাবেগ প্রকাশ করেছে এই রচনায়। আমার ভাল লেগেছে লেখকের জীবন দর্শন “উপনিষদে লিখছে এক ডালে দুই পাখি আছেতার মধ্যে এক পাখি খায় আর এক পাখি দেখে। যে পাখি দেখছে তারই আনন্দ বড়ো আনন্দ। কেননা তার সে বিশুদ্ধ আনন্দ মুক্ত আনন্দ। মানুষের নিজের মধ্যেই এই দুই পাখি আছে। এক পাখির প্রয়োজন আছে আর এক পাখির প্রয়োজন নেই। এক পাখি ভোগ করে আর এক পাখি দেখে। যে পাখি ভোগ করে সে নির্মাণ করে যে পাখি দেখে সে সৃষ্টি করে। নির্মাণ করা মানে মাপে তৈরি করা অর্থাৎ যেটা তৈরি হচ্ছে সেইটেই চরম নয় সেইটেকে অন্য কিছুর মাপে তৈরি করা নিজের প্রয়োজনের মাপে বা অন্যের প্রয়োজনের মাপে। আর সৃষ্টি করা অন্য কোনো কিছুর মাপের অপেক্ষা করে না সে হচ্ছে নিজেকে সর্জন করা নিজেকেই প্রকাশ করা। এইজন্য ভোগী পাখি যে সমস্ত উপকরণ নিয়ে কাজ করছে তা প্রধানত বাইরের উপকরণ আর দ্রষ্টা পাখির উপকরণ হচ্ছে আমি পদার্থ। এই আমির প্রকাশই সাহিত্য আর্ট। তার মধ্যে কোনো দায়ই নেই কর্তব্যের দায়ও না।”লেখক খুবই আধুনিকমনা। নারীদের স্বাবলম্বী হওয়াকে তিনি ভাল চোখে দেখেছেন। তিনি লিখেছেন “লোকের কাছে শুনতে পাই এখানকার পুরুষেরা অলস ও আরামপ্রিয় অন্য দেশের পুরুষের কাজ প্রায় সমস্তই এখানে মেয়েরা করে থাকে। হঠাৎ মনে আসে এটা বুঝি মেয়েদের উপরে জুলুম করা হয়েছে। কিন্তু ফলে তো তার উলটোই দেখতে পাচ্ছি এই কাজকর্মের হিল্লোলে মেয়েরা আরো যেন বেশি করে বিকশিত হয়ে উঠেছে। কেবল বাইরে বেরতে পারাই যে মুক্তি তা নয় অবাধে কাজ করতে পাওয়া মানুষের পক্ষে তার চেয়ে বড়ো মুক্তি। পরাধীনতাই সবচেয়ে বড়ো বন্ধন নয় কাজের সংকীর্ণতাই হচ্ছে সবচেয়ে কঠোর খাঁচা।”লেখাটা আপনাকে কবির দৃষ্টিভঙ্গির সাথে পরিচিত করে তুলবে। জাপানীরা যে অনেক অগ্রসর হবে লেখক তা আঁচ করতে পেরেছেন। জাপানীদের পরিষ্কার পরিছন্নতা ফুল সাজানো বা চা বানানোর আচার আচারন বা নারী পুরুষের সমান ভাবে কাজ করা লেখক মুগ্ধ করেছে। কবি বাঙালিদের আর জাপানীদের মধ্য পার্থক্য খুব সুনিপুনভাবে

Rabindranath Tagore ´ জাপান-যাত্রী reader

জাপান যাত্রী নিরা বেশি ছবি দেয়ালে টাঙায় না গৃহসজ্জায় ঘর ভরে ফেল জাপান যাত্রী ১২ ১ জাপান যাত্রী ১২ ১ জাপান যাত্রী ১২ ১৬ই জ্যৈষ্ঠ। আজ জাহাজ জাপানের ‘কোবে’ বন্দরে পৌঁছবে। কয়দিন বৃষ্টিবাদলের বিরাম নেই। মাঝে মাঝে জাপানের ছোটো ছোটো দ জাপানযাত্রী – বাংলা লাইব্রেরি । Bangla Book Read জাপান যাত্রী – ১২ জাপান যাত্রী – ১৩ ১৩ নতুনকে দেখতে হলে মনকে একটু বিশেষ করে বাতি জ্বালাতে হয়। পুরোনোকে দেখতে হলে ভালো করে চোখ মেলতেই হয় না। জাপান | অভিযাত্রা অভিযাত্রা ডেস্ক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড? শুরুতেই বলে রাখি ভ্রমণকাহিনী হলেও বইটিতে ভ্রমণের চেয়ে কবিগুরুর নিজস্ব জীবনবোধগুলোই বেশি প্রকাশ পেয়েছে। রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন যে এই লেখনীতে পাঠক যদি অল্প পরিমানেও বস্ততন্ত্রতা দাবি করে তবে নিরাশ হবে। তিনি মুলত এখানে জাপান ও জাপানের মানুষের সম্পর্কে তার মতামত প্রকাশ করেছেন যার মধ্যে জাপান যেমন আছে লেখক নিজেও তেমন আছেন। বইয়ের শুরুর দিকে একটি জায়গায় তিনি বলেছেন উপনিষদে লিখছে এক ডালে দুই পাখি আছেতার মধ্যে এক পাখি খায় আর এক পাখি দেখে। যে পাখি দেখছে তারই আনন্দ বড়ো আনন্দ। কেননা তার সে বিশুদ্ধ আনন্দ মুক্ত আনন্দ। মানুষের নিজের মধ্যেই এই দুই পাখি আছে। এক পাখির প্রয়োজন আছে আর এক পাখির প্রয়োজন নেই। এক পাখি ভোগ করে আর এক পাখি দেখে। যে পাখি ভোগ করে সে নির্মাণ করে যে পাখি দেখে সে সৃষ্টি করে। । লেখকের মতে পৃথিবীতে সবচেয়ে বড়ো রহস্য দেখবার বস্তুটি নয় বরং যে দেখে সেই মানুষটি আর এই দ্রষ্টার উপকরন হল আমি পদার্থ যার প্রকাশই সাহিত্য আর্ট।এমনই দ্রষ্টার চোখে তিনি জাপানের মানুষকে দেখেছেন এবং তাদের স্বভাবসুলভ বৈশিষ্ট্যগুলোকে বিশ্লেষণ করেছেন। জাপানিদের একটি গভীর পরিচয় রয়েছে যেটাকে এক কথায় বলা যায় 'হৃদয়ের মিতব্যয়িতা'। তাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে চোখে পড়ে সংযম। এমনকি জাপানি কবিতাগুলোতেও রয়েছে ভাষা ও ভাবের সংযম যার প্রমাণ আমরা দেখতে পাই তাদের সাহিত্যে তিন লাইনের কাব্যগুলোতে যা পৃথিবীর আর কোথাও নেই। এমনই একটি কবিতা লেখক তুলে ধরেছেন পুরোনো পুকুরব্যাঙের লাফজলের শব্দ।লেখকের মতে জাপানি পাঠকদের মনের চোখ অত্যন্ত প্রবল সেই সাথে তাদের সৌন্দর্যবোধও।  কোনো একটি হৃদয়াবৃত্তিকে খর্ব করে অন্যটিকে বাড়িয়ে তোলা যেতে পারে৷ ঠিক তেমনি এই কবিতাগুলোয় হৃদয়াবেগের প্রকাশকে খর্ব করে সৌন্দর্যবোধের প্রকাশকে বাড়িয়ে তোলা হয়েছে। এভাবেই জাপানীরা নিজেদের প্রকাশকে সংক্ষিপ্ত করে হৃদয়ের সমস্তটাই প্রকাশ করে সৌন্দর্যবোধের মাধ্যমে।  আর এই সৌন্দর্যবোধ জিনিসটাই স্বার্থনিরপেক্ষ এক প্রবল শক্তি যা মানুষকে স্বার্থ ও বস্তুর সংঘাত থেকে রক্ষা করে।  সাধারনত আমরা ব্যক্তির এই সৌন্দর্যবোধের  প্রকাশকে দেখি তার দুর্বলতা হিসেবে। আমাদের মতে সফলতা পেতে হলে সৌন্দর্যবোধ নামক দুর্বলতা থেকে বেড়িয়ে যান্ত্রিকতায় ডুব দেয়া আবশ্যক। অথচ জাপানের প্রাচীনকালের যোদ্ধারা অবসরে  ফুল সাজানোর বিদ্যা নিয়ে কথা বলতেন কারন তাদের ধারনা ছিল এতে তাদ